মুসলিম’স ডায়রী (চলমান....)

কি জন্য এই ডায়রী?

একজন মুসলমানের চলার পথে ধর্মীয় যে শিক্ষাগুলো থাকাটা অত্যাবশ্যক সে সকল বিষয় নিয়েই এই “মুসলিম’স ডায়রী”। বিশেষ সময়ে জরুরী তথ্য আমরা খুজেঁ পাইনা কিংবা পেতে কষ্ট হয়। এই সমস্যার কিছুটা নিরসনের জন্যই এই লেখার অবতারনা। আল্লাহ চাহেতো এটি প্রেকটিসিং মুসলিমদের কিছুটা হলেও সহযোগিতা করবে।


সিলেবাস বা সূচীপত্র

[১] দৈনিক রুটিন
[২] সালাত
[৩] সালাতের পর দোআ
[৪] দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় দোআ
[৫] কিছু ছোট সুরা
[৬] রমাদানে করনীয়



দৈনিক রুটিন

মুসলিমের দৈনিক দ্বীনি কাজ

[১] কোরআন অধ্যয়ন : ১ ঘন্টা 

[২] হাদিস অধ্যয়ন : ১ ঘন্টা

[৩] সাহিত্য অধ্যয়ন : ১ ঘন্টা

[৪] সালাত : ২ ঘন্টা

[৫] সুরা/আয়াত মুখস্ত করা : ৩ আয়াত

[৬] পুর্বে পড়া সুরাগুলো : ৩ বার করে পড়া

[৭] দাওয়া/ দাওয়াত : ২ জন

[৮] শরীর চর্চা : ১ ঘন্টা

[৯] আত্মসমালোচনা : ৩ বার


বিস্তারিত:

[১] কোরআন অধ্যয়ন

প্রতিদিন নুন্যতম ১ঘন্টা কোরআন অধ্যয়ন করতে হবে। ফজরের পর কোরআন তেলাওয়াতের জন্য উত্তম সময়। তাছাড়া অন্য যেকোন অবসর সময় বের করে নেয়া যেতে পারে।

[২] হাদিস অধ্যয়ন

দৈনিক নিয়মিত ভাবে কিছু হাদিস পড়া এবং কিছু কিছু হাদিস মুখস্ত করার চেষ্টা করতে হবে। দৈনিক অন্তক ১ ঘন্টা হাদিস অধ্যয়ন করলে আমাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সকল হাদিস জেনে নিতে পারবো।

[৩] সাহিত্য অধ্যয়ন

প্রতিদিন ধর্মীয় বই যেমন- কোরআনের তাফসির, হাদিস গ্রন্থ, ভালো মানের শায়েখ ও স্কলারদের লেকচার শুনা, রাসুলের জীবনি, সাহাবাদের জীবনি এবং বিভিন্ন প্রকার ধর্ম তত্বের উপর বই পড়তে হবে।

[৪] সালাত

নিয়মিত এবং সঠিক সময়ে সালাত জামাতের সাথে আদায় করা। বেশি বেশি কিয়ামুল লাইল এর সালাত পড়া এবং এ সালাতে রাকাত সংখ্যাকে প্রাধান্য না দিয়ে লম্বা সময় নিয়ে সালাত পড়ার দিকে বেশি সচেষ্ট হতে হবে।

[৫] সুরা/আয়াত মুখস্ত করা

প্রতিদিন কম করে হলেও ৩/৪ টা আয়াত মুখস্ত করার অভ্যাস তৈরী করা। ৩০ পারার সবগুলো সুরা এবং অন্যান্য সুরাগুলো থেকে প্রতিদিন কিছু কিছু আয়াত মুখস্ত করতে হবে।

[৬] পুর্বে পড়া সুরাগুলো

প্রতিদিন পুর্বের মুকস্ত করা সকল সুরাগুলো ৩/৪ বার তেলাওয়াত করা। দেখে দেখে এবং না দেখে উভয় ভাবেই তেলাওয়াত করতে হবে।

[৭] দাওয়া/ দাওয়াত

শুধু নিজে দ্বীন চর্চা করলেই চলবে না, অন্যদেরকেও দ্বীন চর্চার দাওয়াত এবং পরামর্শ দিতে হবে। প্রতিদিন অন্তত ২/১ জনকে দাওয়াত দিতে হবে। তাদের সাথে ধর্মের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হবে। তাদেরকে বিভিন্ন লেকচার, বই দিয়ে জ্ঞান চর্চার প্রতি অনুপ্রানিত করতে হবে।

[৮] শরীর চর্চা

সুস্থ্যতার জন্য শরীর চর্চার বিকল্প নেই। প্রতিদিন কম করে হলেও ১ ঘন্টা শরীর চর্চা/ ব্যায়াম করতে হবে অথবা কঠিন কোন শারিরিক পরিশ্রম করতে হবে।

[৯] আত্মসমালোচনা

সময় পেলেই নিজের ভুল-ত্রুটির জন্য নিজে নিজে চিন্তা করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত হতে হবে। প্রতিদিন অন্তত ২/৩ বার এই এত্মসমালোচান করা উচিত। বিশেষ করে ঘুমের পুর্বে একবার এই আত্মসমালোচনা এবং আল্লাহর কাছে সকল কৃতকর্মের জন্য কায়মনোবাক্যে ক্ষমা চেয়ে তাওবাহ করাটা জরুরী।




সালাত      (-প্রথমপাতা-)

আসুন আমরা সালাতে কি পড়ি তা জানার চেষ্টা করি।

ٱللَّهُ أَكْبَر

আল্লাহু আকবার

আল্লাহ তা’য়ালা সর্বশ্রেষ্ট।

سُبْحَانَكَ اللّٰهُمِّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَلَا إِلٰهِ غَيْرُكَ

সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাস্’মুকা ওয়া তায়া’লা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।.
হে আল্লাহ ! তুমি পাক্ , তোমারই জন্য সমস্ত প্রশংসা, তোমার নাম পবিত্র এবং বরকতময়, তোমার গৌরব অতি উচ্চ, তুমি ছাড়া অন্য কেহ উপাস্য নাই ।

أَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشِّيْطَانِ الرَّجِيْمِ

আউযু বিল্লাহি মিনাশ্ শাইত্বোনির রাজীম।
বিতারিত শয়তান হইতে, আল্লাহ তা’য়ালার আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি।

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ

বিসমিল্লাহির রহ্’মানির রহিম।

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুনাময়, অসীম দয়ালু]।
سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْم
সুবহানা রব্বিয়াল আযীম।

আমার মহান প্রভু পবিত্র।
سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَه
সামিআল্লাহু লিমান হামিদা।

যে আল্লাহর প্রশংশা করে, আল্লাহ তা শোনেন।
رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ

রব্বানা লাকাল হাম্’দ্

হে আমাদের রব ! তোমার জন্যই সকল প্রশংসা।

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلٰى
সুবহানা রব্বিয়াল আ’লা 

আমার মহান আল্লাহ পবিত্র।

দুই সিজদার মাঝের দুআ (৩বার)-

رَبِّغْفِرْلِيْ

রব্বিগফিরলী

হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন।

অথবা, দুই সিজদার মাঝের দুআ-

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيٌ، وَارْحَمْنِيْ، وَاهْدِنِيْ، وَاجْبُرْنِيْ، وَعَافِنِيْ، وَارْزُقْنِيْ،

আল্লাহুম্মাগফিরলী, ওয়ারহামনী, ওয়াহদিনী, ওয়াজবুরনী, ওআ’ফিনী, ওয়ারযুকনী,  ওয়ার ফা’-নী।

হে আল্লাহ্! আমাকে ক্ষমা কর, আমাকে রহম কর, আমাকে হেদায়াত দান কর, আমাকে সুস্থ্যতা দান কর, আমাকে রিযিক দান কর এবং আমার ক্ষয়ক্ষতি পূরণ কর।



সালাতের পর পড়ার জন্য কিছু দো’আ

[১] আল্ল-হু আকবার।

[২] আস্তগফিরুল্ল-হ। (৩বার)

[৩] আল্ল-হুম্মা আনতাস সালা-মু ওয়া মিনকাস সালা-মু, তাবা-রকতা ইয়া যাল জালি-লি ওয়াল ইক্রা-ম।

[৪] লা ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহূ লা শারীকা লাহূ, লাহুল হাম্দু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর।

[৫] আল্ল-হুম্মা আ’ইন্নী ‘আলা যিকরিকা ওয়া শুক্রিকা ওয়া হুসনি ‘ইবা-দাতিকা।

[৬] আল্ল-হুম্মা লা মা-নি’আ লিমা আ’ত্বয়তা ওয়ালা মু’ত্বিয়া লিমা মানা’তা ওয়ালা ইয়ান্ফা’উ জাদ্দি মিন্কাল জাদ্দু।

[৭] লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ। লা ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়ালা না’বুদু ইল্লা ইইয়াহু। লাহুন নে’মাতু ওয়ালাহুল ফাযলু ওয়ালাহুছ ছানাউল হাসান। লা ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু মুখলেছীনা লাহুদ্দীন। ওয়ালাও কারিহাল কা-ফিরূন।

[৮] আয়াতুল কুরসী। (১বার)

[৯] সূরা ইখলাছ (১১২ কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ), সূরা ফালাক (১১৩ কুল আ’উযুবিরাব্বিল ফালাক), সূরা নাস (১১৪ কুল আ’উযুবিরাব্বিন্না-ছ)

[১০] আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’উযুবিকা মিনাল জুব্নি ওয়া আ’ঊযুবিকা মিনাল বুখ্লি ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন আরজালিল ‘উমুরি; ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন্ ফিৎনাতি দুনিয়া ওয়া ‘আযা-বিল ক্বাবর।

[১১] সুবহা-নাল্লা-হ (৩৩বার), আলহাম্দুলিল্লা-হ (৩৩বার), আল্ল-হু আকবার (৩৪বার)





দৈনন্দিন দোআ সমুহ

আয়াতুল কুরসি: সূরা আল-বাকারাহ্‌ ২৫৫

[১] আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যূল কাইয়্যূমু 

[২] লা তা’খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম।

[৩] লাহূ মা-ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা ফিল আরদ্বি।

[৪] মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ ইল্লা বিইযনিহী।

[৫] ইয়া‘লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম।

[৬] ওয়ালা ইয়ুহীতূনা বিশাইইম মিন্ ইলমিহী ইল্লা বিমা শাআ।

[৭] ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব।

[৮] ওয়ালা ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা

[৯] ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যূল ‘আযীম।


তাশাহ্হুদ (আত্তাহিইয়া-তু)

التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ

আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াচ্ছালাওয়াতু ওয়াতত্বয়্যিবাতু,

সমস্ত তা’যীম, সমস্ত ভক্তি, নামায, সমস্ত পবিত্র ইবাদত বন্দেগী আল্লাহর জন্য ,আল্লাহর উদ্দেশ্য

 السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ

আস্’সালামু আ’লাইনা ওয়া আলা ই’বা-দিল্লাহিছ্ ছ্বালিহীন,

আমাদের জন্য এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি অবতীর্ন হোক,

أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ 

আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে এক আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নাই এবং মোহাম্মদ (স) আল্লাহর বান্দাহ ও রাসূল।


দরুদ #১

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ

আল্লাহুম্মা ছাল্লি আ’লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি মুহাম্মাদিন

অর্থ: হে আল্লাহ্! হযরত মোহাম্মদ (দঃ) এবং মোহাম্মদ (দঃ)-এর আওলাদগনের উপর তোমার খাস রহমত নাযিল কর,

كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ

কামা সাল্লাইতা আ’লা ইব্রাহীমা ওয়া আ’লা আলি ইব্রাহীমা

অর্থ: যেমন ইবরাহীম (আঃ) এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর আওলাদগনের তোমার উপর খাস্ রহমত নাযিল করেছ,

إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ 

ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।

অর্থ: নিশ্চয়ই তুমি প্রসংশার যোগ্য এবং সর্বোচ্চ্ সম্মানের অধিকারী]।

اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ

আল্লাহুম্মা বারিক আ’লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি মুহাম্মাদিন

অর্থ : হে আল্লাহ্! হযরত মোহাম্মদ (দঃ) এবং মোহাম্মদ (দঃ)-এর আওলাদগনের উপর তোমার খাস বরকত নাযিল কর,

كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ

কামা বারাক্’তা আ’লা ইব্রাহীমা ওয়া আ’লা আলি ইব্রাহীমা

অর্থ: যেমন ইবরাহীম (আঃ) এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর আওলাদগনের তোমার উপর খাস্ বরকত নাযিল করেছ,

 إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ

অর্থ: নিশ্চয়ই তুমি প্রসংশার যোগ্য এবং সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী


দো‘আ মাসুরা

اَللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْماً كَثِيراً ،

আল্লাহুম্মা ইন্নি যালামতু নাফসি যুলমান কাছ্বীরাও

অর্থঃ হে আল্লাহ, আমি আমার নিজের উপর অনেক বেশী যুলুম করেছি,

 وَلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ.

ওয়ালা ইয়াগফিরুদ্বুনুবা ইল্লা আনতা

অর্থ: আর তুমি ছাড়া আমার গুনাসমুহ আর কেহই মাফ করতে পারে না;

 فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِي،

ফাগফিরলী মাগফিরাতাম্ মিন ইনদিকা ওয়ারহামনী,

অর্থ:  সুতরাং তুমি তোমার নিজ গুনে আমাকে মার্জনা করে দাও এবং আমার প্রতি রহম কর।

إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

ইন্নাকা আন্তাল গাফুরুর রাহীম

অর্থ: তুমিতো মার্জনাকারী ও দয়ালু।


দুনিয়া আখিরাতের কল্যানের জন্য দোয়া

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

উচ্চারনঃ “রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ ওয়া ফিল আখিরতি হাসানাহ ওয়া কিনা আজাবান্নার।” 

অর্থ-‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ইহকালে কল্যাণ দান কর এবং পরকালেও কল্যাণ দান কর। আর আমাদেরকে আগুনের-যন্ত্রণা থেকে রক্ষা কর।’(সুরা বাকারা- আয়াত ২০১)


হেদায়াতের পর অন্তরের বক্রতা হতে মুক্তি চাওয়া

رَبَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ

উচ্চারনঃ রব্বানা-লা-তুযিগ্ কুলূবানা- বা’দা ইয্ হাদাইতানা-অহাবলানা-মিল্ লাদুন্কা রহমাহ , ইন্নাকা আন্তাল্ অহ্হা-ব্ । 

অর্থঃ হে আমাদের রব, আপনি হিদায়াত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। (সুরা আল ইমরান – আয়াত ৮)

 

দ্বীনের উপর অটল থাকার দুয়া

اللَّهُمَّ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ

উচ্চারনঃ আল্লাহুম্মা ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলুব, ছাব্বিত ক্বলবী আ’লা দ্বীনিক । 

অর্থ:- হে আল্লাহ! হে হৃদয়ের পরিবর্তন কারী! আপনি আমার হৃদয়-কে আপনার দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখুন।


আল্লাহর কাছে হেদায়েত ও তাকওয়া চাওয়ার দোয়া

“‏اللهم إني أسألك الهدى، والتقى، والعفاف، والغنى‏”

“আল্লাহুম্মা ইন্নি আস-আলুকাল হুদা ওয়াত-তুকা ওয়াল আ’ফাফা ওয়াল গিনা।”

অর্থ: হে আল্লাহ আমি তোমার কাছে হেদায়েত, তাকওয়া, সুস্থতা ও সম্পদ প্রার্থনা করছি। (সুনানে আত-তিরমিযী: ৩৪৮৯)

 

আল্লাহর দেওয়া নিয়ামত কখনো যেন হারিয়ে না যায়

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ وَجَمِيعِ سَخَطِكَ ‏”‏ ‏.‏

“আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন যাওয়া-লি নি‘মাতিক, ওয়া তাহাও্‌উলি ‘আ-ফিয়াতিক, ওয়া ফুজা-য়াতি নিক্‌মাতিক, ওয়া জামী’ই সাখ-তিক ।” 

অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই নি‘আমাত দূর হয়ে যাওয়া হতে, তোমার দেয়া সুস্থতা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া থেকে, তোমার অকস্মাৎ শাস্তি আসা হতে এবং তোমার সকল প্রকার অসন্তুষ্টি থেকে।”(মুসলিম- ৬৮৩৭)

 

মারাত্মক রোগ ব্যাধি থেকে মুক্তির দোয়া

«اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُنُونِ، وَالْجُذَامِ، وَالْبَرَصِ، وَسَيِّئِ الْأَسْقَامِ»

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল জুনুন, ওয়াল জুযাম, ওয়াল বারস, ওয়া সাইয়িল আসকম।

অর্থঃ হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি পাগলামী, কুষ্ঠ রোগ, শ্বেতরোগ এবং অতি মন্দ রোগ ব্যাধি হতে।(সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৫৪৯৩ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস)

 

অসুস্থ্য ব্যক্তির প্রতি দোয়া

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلاَكَ بِهِ وَفَضَّلَنِي عَلَى كَثِيرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيلاً

আলহামদুলিল্লা হিল্লাযি আ-ফা-নী মিম্মাব তালা-কা বিহ, ওয়া ফাদদলানীয় আলা কাছিইরিম মিম্মান খলাকো তাফদিইলা। 

অর্থঃ “সকল প্রশংসা আল্লাহ তা আলার জন্য, তিনি যে বিপদে তোমাকে জড়িত করেছেন তা হতে আমাকে হিফাযাতে রেখেছেন এবং তাঁর অসংখ্য সৃষ্টির উপর আমাকে সম্মান দান করেছেন”।

 

সকাল সন্ধ্যার দোয়া

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

বিস্‌মিল্লা-হিল্লাযী লা ইয়াদুররু মা‘আ ইস্‌মিহী শাইউন ফিল্ আরদ্বি ওয়ালা ফিস্ সামা-ই, ওয়াহুয়াস্ সামী‘উল ‘আলীম। 

অর্থঃ আমি সেই আল্লাহর নামে শুরু করছি, যার নামে শুরু করলে আসমান ও যমীনের কোনো কিছুই কোনো ক্ষতি করতে পারেনা, তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।

 

ক্ষমা প্রার্থনার সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَّا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِر لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আনতা রব্বি লা-ইলাহা ইল্লা আনতা, খালাক্বতানি ওয়া আনা আ’বদুক, ওয়া আনা-আ’লা আহ’দিকা ওয়া-ওয়াদিকা মাস্তা-তোয়া’ত, আ’উযুবিকা মিন শাররি মা-ছানাআ’ত আবু-উ-লাকা বিনি’মাতিকা আলায়্যা ওয়া-আবু-উ-বি-যামবি, ফাগফিরলী, ফা-ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুযযুনুবা ইল্লা-আনতা।

অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রতিপালক, তুমি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো আর আমি তোমার বান্দা। আমি আমার সাধ্যানুযায়ী তোমার সাথে যে ওয়াদা করেছি তা পূরণ করার চেষ্টায় রত আছি, আমি আমার কর্মের অনিষ্ট থেকে পানাহ্ চাই, আমি স্বীকার করছি আমার প্রতি তোমার প্রদত্ত নিয়ামতের কথা এবং আমি আরো স্বীকার করছি আমার পাপে আমি অপরাধী, অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করো, তুমি ছাড়া ক্ষমা করার আর কেউ নাই।

 

দুই সিজদার মাঝের দোয়া

اَللّهُمَّ اغْفِرْلِيْ وَارْحَمْنِيْ (وَاجْبُرْنِيْ وَارْفَعْنِيْ) وَاهْدِنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ

উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মাগফিরলী অরহামনী অজবুরনী অরফা’নী অহ্‌দিনী ওয়া আ-ফিনী অরযুক্বনী।

অর্থ- হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর, দয়া কর, আমার প্রয়োজন মিটাও, আমাকে উঁচু কর, পথ দেখাও, নিরাপত্তা দাও এবং জীবিকা দান কর। (আবূদাঊদ-৮৫০, তিরমিযী-২৮৪, ইবনে মাজাহ্‌-৮৯৮,হাকেম, মুস্তাদরাক)


দো‘আ কুনুত

বাথরুমে প্রবেশ ও বের হবার দোআ

ঘরে প্রবেশ ও বের হবার দোআ

তওবার দোআ

ঘুমানোর আগে ও পরের দোআ

বিপদের সময়ে দোআ




কিছু ছোট সুরা (তালিকা)

[০০১] ফাতিহা আলহামদুলিল্লা-হির রাহমা-নির রাহিম

[১১৪] নাস কুল আ'ঊযুবিরাব্বিন্না-ছ

[১১৩] ফালাক কুল আ'ঊযুবিরাব্বিল ফালাক

[১১২] ইখলাস কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ

[১১১] লাহাব তাব্বাত ইয়াদাআবী লাহাবিওঁ ওয়া

[১১০] নাসর ইযা-জাআ নাসরুল্লা-হি ওয়াল

[১০৯] কাফিরুন কুল ইয়াআইয়ুহাল কা-ফিরূন

[১০৮] কাউসার ইন্নাআ'তাইনা-কাল কাওছার

[১০৭] মাউন আরাআইতাল্লাযী ইউকাযযি

[১০৬] কুরাইশ লিঈলা-ফি কুরাইশ

[১০৫] ফীল আলাম তারা কাইফা ফা'আলা রাব্ব

[১০৪] হুমাজাহ ওয়াইলুল্লিকুল্লি হুমাঝাতিল লিমাঝ

[১০৩] আসর ওয়াল আসর

[১০২] তাকাসুর আলহা-কুমুত্তাকা-ছুর

[১০১] কারেয়া আল কা-রি'আয়

[০৯৭] কদর ইন্নাআনঝালনা-হু ফী লাইলাতিল কা

[০৯৬] আরাক ইকরা বিছমি রাব্বিকাল্লাযী কালাক

[০৯৫] ত্বীন ওয়াততীন ওয়াঝঝাইতূন

[০৯৪] ইনশিরাহ আলাম নাশিরাহলাকা সাদরাক

[০৯৩] দ্বোহা ওয়াদদু হা



সুরা গুলোর অর্থ সহ উচ্চারন

০০১: সূরা আল ফাতিহা (সূচনা), মক্কী, আয়াত-৭

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] الحَمدُ لِلَّهِ رَبِّ العٰلَمينَ

[1] আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আ’লামীন

[1] যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

[2] الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ

[2] আর রাহমানির রাহীমি

[2] যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

[3] مٰلِكِ يَومِ الدّينِ

[3] মালিকি ইয়াওমিদ্দীন

[3] যিনি বিচার দিনের মালিক।

[4] إِيّاكَ نَعبُدُ وَإِيّاكَ نَستَعينُ

[4] ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তাঈন

[4] আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।

[5] اهدِنَا الصِّرٰطَ المُستَقيمَ

[5] ইহ্দিনাস্ সিরাতাল মোস্তাকীম

[5] আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,

[6] صِرٰطَ الَّذينَ أَنعَمتَ عَلَيهِم غَيرِ المَغضوبِ عَلَيهِم وَلَا الضّالّينَ

[6] সিরাতাল্লাজীনা আন আমতা আলাইহিম গাইরিল মাগদূবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দোয়াল্লিন আমীন

[6] সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।


১১৪ : সূরা নাস (মানবজাতি), মাদানী, আয়াত-৬

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] قُل أَعوذُ بِرَبِّ النّاسِ

[1] কুল্ আ‘ঊযু বিরব্বিন্না-স্।

[1] বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,

[2] مَلِكِ النّاسِ

[2] মালিকিন্না-স্ ।

[2] মানুষের অধিপতির,

[3] إِلٰهِ النّاسِ

[3] ইলা-হি ন্না-স্

[3] মানুষের মা’বুদের

[4] مِن شَرِّ الوَسواسِ الخَنّاسِ

[4] মিন্ শাররিল ওয়াস্ ওয়া-সিল্ খান্না-সি

[4] তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,

[5] الَّذى يُوَسوِسُ فى صُدورِ النّاسِ

[5] আল্লাযী ইউওয়াস্ওয়িসু ফী ছুদূরিন্না-স্।

[5] যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে

[6] مِنَ الجِنَّةِ وَالنّاسِ

[6] মিনাল্ জ্বিন্নাতি অন্না-স্।

[6] জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।


১১৩: সূরা ফালাক (নিশিভোর), মাদানী, আয়াত-৫

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] قُل أَعوذُ بِرَبِّ الفَلَقِ

[1] কুল্ আ‘ঊযু বিরব্বিল্ ফালাক্বি।

[1] বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,

[2] مِن شَرِّ ما خَلَقَ

[2] মিন্ শাররি মা-খলাক্ব।

[2] তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,

[3] وَمِن شَرِّ غاسِقٍ إِذا وَقَبَ

[3] অমিন্ শাররি গ-সিক্বিন্ ইযা-অক্বাব্।

[3] অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,

[4] وَمِن شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِى العُقَدِ

[4] অমিন্ শাররি ন্নাফ্ফা-ছা-তি ফিল্ ‘উক্বদ্।

[4] গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে

[5] وَمِن شَرِّ حاسِدٍ إِذا حَسَدَ

[5] অমিন্ শাররি হা-সিদিন্ ইযা-হাসাদ্।

[5] এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।


১১২: সূরা এখলাছ (একত্ব), মাক্কী, আয়াত-৪

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] قُل هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ

[1] কুল্ হুওয়াল্লা-হু আহাদ্।

[1] বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,

[2] اللَّهُ الصَّمَدُ

[2] আল্লা-হুচ্ছমাদ্।

[2] আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,

[3] لَم يَلِد وَلَم يولَد

[3] লাম্ ইয়ালিদ্ অলাম্ ইয়ূলাদ্।

[3] তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি

[4] وَلَم يَكُن لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ

[4] অলাম্ ইয়া কুল্লাহূ কুফুওয়ান্ আহাদ্।

[4] এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।


১১১: সূরা লাহাব (জ্বলন্ত অংগার), মাক্কী, আয়াত- ৫

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] تَبَّت يَدا أَبى لَهَبٍ وَتَبَّ

[1] তাব্বাত্ ইয়াদা য় আবী লাহাবিঁও অতাব্।

[1] আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে,

[2] ما أَغنىٰ عَنهُ مالُهُ وَما كَسَبَ

[2] মা য় আগ্না-‘আন্হু মা-লুহূ অমা-কাসাব্

[2] কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে।

[3] سَيَصلىٰ نارًا ذاتَ لَهَبٍ

[3] সাইয়াছ্লা- না-রন্ যা-তা লাহাবিঁও।

[3] সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে

[4] وَامرَأَتُهُ حَمّالَةَ الحَطَبِ

[4] অম্রয়াতুহ্; হাম্মা-লাতাল্ হাত্বোয়াব্।

[4] এবং তার স্ত্রীও-যে ইন্ধন বহন করে,

[5] فى جيدِها حَبلٌ مِن مَسَدٍ

[5] ফী জ্বীদিহা-হাব্লুম্ মিম্ মাসাদ্।

[5] তার গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে।


১১০: সূরা নছর (স্বর্গীয় সাহায্য), মাদানী, আয়াত- ৩

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] إِذا جاءَ نَصرُ اللَّهِ وَالفَتحُ

[1] ইযা-জ্বা-য়া নাছ্রুল্লা-হি অল্ফাত্হু

[1] যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়

[2] وَرَأَيتَ النّاسَ يَدخُلونَ فى دينِ اللَّهِ أَفواجًا

[2] অরয়াইতান্না-সা ইয়াদ্খুলূনা ফী দীনিল্ লা-হি আফ্ওয়া-জ্বা-।

[2] এবং আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন,

[3] فَسَبِّح بِحَمدِ رَبِّكَ وَاستَغفِرهُ ۚ إِنَّهُ كانَ تَوّابًا

[3] ফাসাব্বিহ্ বিহাম্দি রব্বিকা অস্তার্গ্ফিহু; ইন্নাহূ কা-না তাওয়্যা-বা-।

[3] তখন আপনি আপনার পালনকর্তার পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাকারী।


১০৯: সূরা কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী), মাক্কী, আয়াত-৬

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] قُل يٰأَيُّهَا الكٰفِرونَ

[1] কুল্ ইয়া য় আইয়ুহাল্ কা-ফিরূনা ।

[1] বলুন, হে কাফেরকূল,

[2] لا أَعبُدُ ما تَعبُدونَ

[2] লা য় আ’বুদু মা তা’বুদূনা।

[2] আমি এবাদত করিনা, তোমরা যার এবাদত কর।

[3] وَلا أَنتُم عٰبِدونَ ما أَعبُدُ

[3] অলা য় আন্তুম্ ‘আ-বিদূনা মা য় আ’বুদ্।

[3] এবং তোমরাও এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি

[4] وَلا أَنا۠ عابِدٌ ما عَبَدتُم

[4] অলা য় আনা ‘আ-বিদুম্ মা-‘আবাততুম্।

[4] এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর।

[5] وَلا أَنتُم عٰبِدونَ ما أَعبُدُ

[5] অলা য় আন্তুম্ ‘আ-বিদূনা মা য় আ’বুদ্।

[5] তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি।

[6] لَكُم دينُكُم وَلِىَ دينِ

[6] লাকুম্ দীনুকুম্ অলিয়াদীন্।

[6] তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।


১০৮: সূরা কাওসার (প্রাচুর্য), মাক্কী, আয়াত-৩

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] إِنّا أَعطَينٰكَ الكَوثَرَ

[1] ইন্না য় আ’ত্বোয়াইনা-কাল্ কাওর্ছার।

[1] নিশ্চয় আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি।

[2] فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانحَر

[2] ফাছোয়াল্লি লিরব্বিকা ওয়ার্ন্হা।

[2] অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন।

[3] إِنَّ شانِئَكَ هُوَ الأَبتَرُ

[3] ইন্না শা য় নিয়াকা হুওয়াল্ আর্ব্তা।

[3] যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ।


১০৭ : সূরা মাউন (সাহায্য-সহায়তা), মাক্কী, আয়াত-৭

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] أَرَءَيتَ الَّذى يُكَذِّبُ بِالدّينِ

[1] আরয়াইতাল্লাযী- ইয়ুকায্যিবু বিদ্দীন্।

[1] আপনি কি দেখেছেন তাকে, যে বিচারদিবসকে মিথ্যা বলে?

[2] فَذٰلِكَ الَّذى يَدُعُّ اليَتيمَ

[2] ফাযা-লিকাল্লাযী ইয়াদু’উ’ল্ ইয়াতীমা

[2] সে সেই ব্যক্তি, যে এতীমকে গলা ধাক্কা দেয়

[3] وَلا يَحُضُّ عَلىٰ طَعامِ المِسكينِ

[3] অলা-ইয়াহুদ্ব্দু ‘আলা-তোয়া‘আ- মিল্ মিসকীন্।

[3] এবং মিসকীনকে অন্ন দিতে উৎসাহিত করে না।

[4] فَوَيلٌ لِلمُصَلّينَ

[4] ফাওয়াইলুল্লিল্ মুছোয়াল্লীনা।

[4] অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাযীর,

[5] الَّذينَ هُم عَن صَلاتِهِم ساهونَ

[5] ল্লাযীনাহুম্ ‘আন্ ছলা-তিহিম্ সা-হূন্।

[5] যারা তাদের নামায সম্বন্ধে বে-খবর;

[6] الَّذينَ هُم يُراءونَ

[6] আল্লাযীনা হুম্ ইয়ুরা-য়ূনা

[6] যারা তা লোক-দেখানোর জন্য করে

[7] وَيَمنَعونَ الماعونَ

[7] অইয়াম্ না‘ঊনাল্ মা-‘ঊন্।

[7] এবং নিত্য ব্যবহার্য্য বস্তু অন্যকে দেয় না।


১০৬ :সূরা কোরাইশ (কুরাইশ গোত্র), মাক্কী, আয়াত-৪

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] لِإيلٰفِ قُرَيشٍ

[1] লিঈলা-ফি কুরইশিন্।

[1] কোরাইশের আসক্তির কারণে,

[2] إۦلٰفِهِم رِحلَةَ الشِّتاءِ وَالصَّيفِ

[2] ঈলা-ফিহিম্ রিহ্লাতাশ্ শিতা-য়ি অছ্ছোয়াইফ্।

[2] আসক্তির কারণে তাদের শীত ও গ্রীষ্মকালীন সফরের।

[3] فَليَعبُدوا رَبَّ هٰذَا البَيتِ

[3] ফাল্ইয়া’বুদূ রব্বাহা-যাল্ বাইতি

[3] অতএব তারা যেন এবাদত করে এই ঘরের পালনকর্তার

[4] الَّذى أَطعَمَهُم مِن جوعٍ وَءامَنَهُم مِن خَوفٍ

[4] ল্লাযী আত্ব‘আমাহুম্ মিন্ জুইঁও ওয়া আ-মানাহুম্ মিন্ খাওফ্।

[4] যিনি তাদেরকে ক্ষুধায় আহার দিয়েছেন এবং যুদ্ধভীতি থেকে তাদেরকে নিরাপদ করেছেন।


১০৫ : সূরা ফীল (হাতি), মাক্কী, আয়াত-৫

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] أَلَم تَرَ كَيفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِأَصحٰبِ الفيلِ

[1] আলাম্ তার কাইফা ফা‘আলা রব্বুকা বিআছ্হা-বিল্ ফীল্।

[1] আপনি কি দেখেননি আপনার পালনকর্তা হস্তীবাহিনীর সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছেন?

[2] أَلَم يَجعَل كَيدَهُم فى تَضليلٍ

[2] আলাম্ ইয়াজ‘আল্ কাইদাহুম্ ফী তাদ্ব্লীলিঁও

[2] তিনি কি তাদের চক্রান্ত নস্যাৎ করে দেননি?

[3] وَأَرسَلَ عَلَيهِم طَيرًا أَبابيلَ

[3] অ র্আসালা ‘আলাইহিম্ ত্বোয়াইরন্ আবা-বীলা-

[3] তিনি তাদের উপর প্রেরণ করেছেন ঝাঁকে ঝাঁকে পাখী,

[4] تَرميهِم بِحِجارَةٍ مِن سِجّيلٍ

[4] তারমীহিম্ বিহিজ্বা-রতিম্ মিন্ সিজ্জ্বীলিন্

[4] যারা তাদের উপর পাথরের কংকর নিক্ষেপ করছিল।

[5] فَجَعَلَهُم كَعَصفٍ مَأكولٍ

[5] ফাজ্বা‘আলাহুম্ কা‘আছ্ফিম্ মাকূল্।

[5] অতঃপর তিনি তাদেরকে ভক্ষিত তৃণসদৃশ করে দেন।


১০৪ : সূরা হুমাযাহ (পরনিন্দাকারী), মাক্কী, আয়াত-৯

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] وَيلٌ لِكُلِّ هُمَزَةٍ لُمَزَةٍ

[1] অইলুল্লি কুল্লি হুমাযা-তি ল্লুমাযাতি।

[1] প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দুর্ভোগ,

[2] الَّذى جَمَعَ مالًا وَعَدَّدَهُ

[2] আল্লাযী জ্বামা‘আ মা-লাওঁ অ‘আদ্দাদাহূ।

[2] যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে

[3] يَحسَبُ أَنَّ مالَهُ أَخلَدَهُ

[3] ইয়াহ্সাবু আন্না মা- লাহূ য় আখ্লাদাহ্।

[3] সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে!

[4] كَلّا ۖ لَيُنبَذَنَّ فِى الحُطَمَةِ

[4] কাল্লা-লাইয়ুম্বাযান্না ফিল্ হুত্বোয়ামাহ্।

[4] কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে।

[5] وَما أَدرىٰكَ مَا الحُطَمَةُ

[5] অমা-আদ্রা-কা মাল্ হুত্বোয়ামাহ্

[5] আপনি কি জানেন, পিষ্টকারী কি?

[6] نارُ اللَّهِ الموقَدَةُ

[6] না-রুল্লা-হিল্ মূক্বদাতু

[6] এটা আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত অগ


১০৩ : আল আছর (সময়), মাক্কী, আয়াত-৩

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] وَالعَصرِ

[1] ওয়াল ‘আছর

[1] কসম যুগের (সময়ের),

[2] إِنَّ الإِنسٰنَ لَفى خُسرٍ

[2] ইন্নাল ইনসা-না লাফী খুস্র

[2] নিশ্চয় মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত;

[3] إِلَّا الَّذينَ ءامَنوا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَتَواصَوا بِالحَقِّ وَتَواصَوا بِالصَّبرِ

[3] ইল্লাল্লাযীনা আ-মানু ওয়া ‘আমিলুছ ছা-লেহা-তে, ওয়া তাওয়া-ছাও বিল হাকক্বে ওয়া তাওয়া-ছাও বিছ্ ছাব্র

[3] কিন্তু তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে তাকীদ করে সত্যের এবং তাকীদ করে সবরের।


১০২ : আত তাকাসুর (প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা), মাক্কী, আয়াত-৮

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] أَلهىٰكُمُ التَّكاثُرُ

[1] আলহা-কুমুত্তাকা-ছু র

[1] প্রাচুর্যের লালসা তোমাদেরকে গাফেল রাখে,

[2] حَتّىٰ زُرتُمُ المَقابِرَ

[2] হাত্তা-ঝুরতুমুল মাকা-বির

[2] এমনকি, তোমরা কবরস্থানে পৌছে যাও।

[3] كَلّا سَوفَ تَعلَمونَ

[3] কাল্লা-ছাওফা তা‘লামূন

[3] এটা কখনও উচিত নয়। তোমরা সত্ত্বরই জেনে নেবে।

[4] ثُمَّ كَلّا سَوفَ تَعلَمونَ

[4] ছু ম্মা কাল্লা-ছাওফা তা‘লামূন

[4] অতঃপর এটা কখনও উচিত নয়। তোমরা সত্ত্বরই জেনে নেবে।

[5] كَلّا لَو تَعلَمونَ عِلمَ اليَقينِ

[5] কাল্লা-লাও তা‘লামূনা ‘ইলমাল ইয়াকীন

[5] কখনই নয়; যদি তোমরা নিশ্চিত জানতে।

[6] لَتَرَوُنَّ الجَحيمَ

[6] লাতারাউন্নাল জাহীমা

[6] তোমরা অবশ্যই জাহান্নাম দেখবে,

[7] ثُمَّ لَتَرَوُنَّها عَينَ اليَقينِ

[7] ছু ম্মা লাতারাউন্নাহা-‘আইনাল ইয়াকীন

[7] অতঃপর তোমরা তা অবশ্যই দেখবে দিব্য প্রত্যয়ে,

[8] ثُمَّ لَتُسـَٔلُنَّ يَومَئِذٍ عَنِ النَّعيمِ

[8] ছু ম্মা লাতুছআলুন্না ইয়াওমাইযিন ‘আনিন্না‘ঈম

[8] এরপর অবশ্যই সেদিন তোমরা নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।


১০১ : আল ক্বারিয়াহ (মহাসংকট), মাক্কী, আয়াত- ১১

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] القارِعَةُ

[1] আল কা-রি‘আহ

[1] করাঘাতকারী,

[2] مَا القارِعَةُ

[2] মাল কা-রি‘আহ

[2] করাঘাতকারী কি?

[3] وَما أَدرىٰكَ مَا القارِعَةُ

[3] ওয়ামাআদরা-কা মাল কা-রি‘আহ

[3] করাঘাতকারী সম্পর্কে আপনি কি জানেন ?

[4] يَومَ يَكونُ النّاسُ كَالفَراشِ المَبثوثِ

[4] ইয়াওমা ইয়াকূনুন্না-ছুকাল ফারা-শিল মাবছূছ

[4] যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতংগের মত

[5] وَتَكونُ الجِبالُ كَالعِهنِ المَنفوشِ

[5] ওয়া তাকূনুল জিবা-লুকাল‘ইহনিল মানফূশ

[5] এবং পর্বতমালা হবে ধুনিত রঙ্গীন পশমের মত।

[6] فَأَمّا مَن ثَقُلَت مَوٰزينُهُ

[6] ফাআম্মা-মান ছাকুলাত মাওয়া-ঝীনুহূ

[6] অতএব যার পাল্লা ভারী হবে,

[7] فَهُوَ فى عيشَةٍ راضِيَةٍ

[7] ফাহুওয়া ফী ‘ঈশাতির রা-দিয়াহ

[7] সে সুখীজীবন যাপন করবে।

[8] وَأَمّا مَن خَفَّت مَوٰزينُهُ

[8] ওয়া আম্মা-মান খাফফাত মাওয়াঝীনুহূ

[8] আর যার পাল্লা হালকা হবে,

[9] فَأُمُّهُ هاوِيَةٌ

[9] ফাউম্মুহূহা-বিইয়াহ

[9] তার ঠিকানা হবে হাবিয়া।

[10] وَما أَدرىٰكَ ما هِيَه

[10] ওয়ামাআদরা-কা মা-হিয়াহ

[10] আপনি জানেন তা কি?

[11] نارٌ حامِيَةٌ

[11] না-রুন হা-মিয়াহ

[11] প্রজ্জ্বলিত অগ্নি!


১০০ : আল আদিয়াত (অভিযানকারী), মাক্কী, আয়াত-১১

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] وَالعٰدِيٰتِ ضَبحًا

[1] অল্ ‘আ- দিয়া-তি দ্বোয়াব্হান্

[1] শপথ উর্ধ্বশ্বাসে চলমান অশ্বসমূহের,

[2] فَالمورِيٰتِ قَدحًا

[2] ফাল্ মূরিয়া-তি ক্বাদ্হান্

[2] অতঃপর ক্ষুরাঘাতে অগ্নিবিচ্ছুরক অশ্বসমূহের

[3] فَالمُغيرٰتِ صُبحًا

[3] ফাল্মুগীর-তি ছুব্হান্

[3] অতঃপর প্রভাতকালে আক্রমণকারী অশ্বসমূহের

[4] فَأَثَرنَ بِهِ نَقعًا

[4] ফাআর্ছানা-বিহী নাক্বআ’ন্

[4] ও যারা সে সময়ে ধুলি উৎক্ষিপ্ত করে

[5] فَوَسَطنَ بِهِ جَمعًا

[5] ফাওয়াসাতনা বিহী জ্বাম্‘আন্

[5] অতঃপর যারা শক্রদলের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে-

[6] إِنَّ الإِنسٰنَ لِرَبِّهِ لَكَنودٌ

[6] ইন্নাল্ ইন্সা-না লিরব্বিহী লাকানূদ্

[6] নিশ্চয় মানুষ তার পালনকর্তার প্রতি অকৃতজ্ঞ।

[7] وَإِنَّهُ عَلىٰ ذٰلِكَ لَشَهيدٌ

[7] অইন্নাহূ ‘আলা-যা-লিকা লাশাহীদ্

[7] এবং সে অবশ্য এ বিষয়ে অবহিত

[8] وَإِنَّهُ لِحُبِّ الخَيرِ لَشَديدٌ

[8] অইন্নাহূ লিহুব্বিল্ খইরি লাশাদীদ্

[8] এবং সে নিশ্চিতই ধন-সম্পদের ভালবাসায় মত্ত।

[9] ۞ أَفَلا يَعلَمُ إِذا بُعثِرَ ما فِى القُبورِ

[9] আফালা- ইয়া’লামু ইযা-বু’ছিরা মা-ফিল্ কুবুরি

[9] সে কি জানে না, যখন কবরে যা আছে, তা উত্থিত হবে

[10] وَحُصِّلَ ما فِى الصُّدورِ

[10] অহুছছিলা মা-ফিছ্ ছুদূরি

[10] এবং অন্তরে যা আছে, তা অর্জন করা হবে?

[11] إِنَّ رَبَّهُم بِهِم يَومَئِذٍ لَخَبيرٌ

[11] ইন্না রব্বাহুম্ বিহিম্ ইয়াওমায়িযিল লাখর্বী

[11] সেদিন তাদের কি হবে, সে সম্পর্কে তাদের পালনকর্তা সবিশেষ জ্ঞাত।


০৯৯ : আল যিলযাল (ভূমিকম্প), মাদানী, আয়াত-৮

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] إِذا زُلزِلَتِ الأَرضُ زِلزالَها

[1] ইযা-যুলযিলাতিল আরদ্বু যিলযা-লাহা

[1] যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে,

[2] وَأَخرَجَتِ الأَرضُ أَثقالَها

[2] অআখরজ্বাতিল আরদ্বু আছক্ব-লাহা

[2] যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে।

[3] وَقالَ الإِنسٰنُ ما لَها

[3] অক্ব-লাল ইনসা-নু মা- লাহা

[3] এবং মানুষ বলবে, এর কি হল ?

[4] يَومَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخبارَها

[4] ইয়াওমায়িযিন তুহাদ্দিছু আখবা-রহা

[4] সেদিন সে তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে,

[5] بِأَنَّ رَبَّكَ أَوحىٰ لَها

[5] বিআন্না রব্বাকা আওহা-লাহা

[5] কারণ, আপনার পালনকর্তা তাকে আদেশ করবেন।

[6] يَومَئِذٍ يَصدُرُ النّاسُ أَشتاتًا لِيُرَوا أَعمٰلَهُم

[6] ইয়াওমায়িযিঁই ইয়াছদুরু ন্না-সু আশতা-তাল লিইয়ুরাও আ’মা-লাহুম

[6] সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে, যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো হয়।

[7] فَمَن يَعمَل مِثقالَ ذَرَّةٍ خَيرًا يَرَهُ

[7] ফামাইঁ ইয়া’মাল মিছক্ব-লা যাররতিন খইরঁই ইয়ারহ

[7] অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে

[8] وَمَن يَعمَل مِثقالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ

[8] অমাইঁ ইয়া’মাল মিছক্ব-লা যাররতিন শাররইঁ ইয়ারহ

[8] এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে।


০৯৮ : আল বাইয়্যিনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ), মাদানী, আয়াত-৮

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] لَم يَكُنِ الَّذينَ كَفَروا مِن أَهلِ الكِتٰبِ وَالمُشرِكينَ مُنفَكّينَ حَتّىٰ تَأتِيَهُمُ البَيِّنَةُ

[1] লাম্ ইয়াকুনিল্লাযীনা কাফারূ মিন্ আহ্লিল্ কিতা-বি অল্ মুশ্রিকীনা মুন্ফাক্কীনা হাত্তা-তা”তিয়াহুমুল্ বাইয়্যিনাতু

[1] আহলে-কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা কাফের ছিল, তারা প্রত্যাবর্তন করত না যতক্ষণ না তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আসত।

[2] رَسولٌ مِنَ اللَّهِ يَتلوا صُحُفًا مُطَهَّرَةً

[2] রসূলুম্ মিনাল্লা-হি ইয়াত্লূ ছুহুফাম্ মুত্বোয়াহ্হারতান্

[2] অর্থাৎ আল্লাহর একজন রসূল, যিনি আবৃত্তি করতেন পবিত্র সহীফা,

[3] فيها كُتُبٌ قَيِّمَةٌ

[3] ফীহা-কুতুবুন্ ক্বাইয়িমাহ্

[3] যাতে আছে, সঠিক বিষয়বস্তু।

[4] وَما تَفَرَّقَ الَّذينَ أوتُوا الكِتٰبَ إِلّا مِن بَعدِ ما جاءَتهُمُ البَيِّنَةُ

[4] ওয়ামা- তাফাররাকাল্লাযীনা ঊতুলকিতা-বা ইল্লা- মিম বা‘দি মা- জাআতহুমুল বাইয়িনাহ

[4] অপর কিতাব প্রাপ্তরা যে বিভ্রান্ত হয়েছে, তা হয়েছে তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পরেই।

[5] وَما أُمِروا إِلّا لِيَعبُدُوا اللَّهَ مُخلِصينَ لَهُ الدّينَ حُنَفاءَ وَيُقيمُوا الصَّلوٰةَ وَيُؤتُوا الزَّكوٰةَ ۚ وَذٰلِكَ دينُ القَيِّمَةِ

[5] ওয়ামাউমিরূ ইল্লা-লিয়া‘বুদুল্লা-হা মুখলিসীনা লাহুদ্দীনা হুনাফাআ ওয়া ইউকীমুসসালা-তা ওয়া ইউ’তুঝঝাকা-তা ওয়া যা-লিকা দীনুল কাইয়িমাহ

[5] তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে, নামায কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম।

[6] إِنَّ الَّذينَ كَفَروا مِن أَهلِ الكِتٰبِ وَالمُشرِكينَ فى نارِ جَهَنَّمَ خٰلِدينَ فيها ۚ أُولٰئِكَ هُم شَرُّ البَرِيَّةِ

[6] ইন্নাল্লাযীনা কাফারূমিন আহলিল কিতা-বি ওয়াল মুশরিকীনা ফী না-রি জাহান্নামা খা-লিদীনা ফীহা- উলাইকা হুম শাররুল বারিইইয়াহ

[6] আহলে-কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা কাফের, তারা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির অধম।

[7] إِنَّ الَّذينَ ءامَنوا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ أُولٰئِكَ هُم خَيرُ البَرِيَّةِ

[7] ইন্নাল্লাযীনা আ-মানূওয়া ‘আমিলুসসা-লিহা-তি উলাইকা হুম খাইরুল বারিইইয়াহ

[7] যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তারাই সৃষ্টির সেরা।

[8] جَزاؤُهُم عِندَ رَبِّهِم جَنّٰتُ عَدنٍ تَجرى مِن تَحتِهَا الأَنهٰرُ خٰلِدينَ فيها أَبَدًا ۖ رَضِىَ اللَّهُ عَنهُم وَرَضوا عَنهُ ۚ ذٰلِكَ لِمَن خَشِىَ رَبَّهُ

[8] জাঝাউহুম ‘ইনদা রাব্বিহিম জান্না-তু‘আদনিন তাজরী মিন তাহতিহাল আনহা-রু খা-লিদীনা ফীহাআবাদার রাদিয়াল্লা-হু ‘আনহুম ওয়া রাদূ ‘আনহু যা-লিকা লিমান খাশিয়া রাব্বাহ

[8] তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে তাদের প্রতিদান চিরকাল বসবাসের জান্নাত, যার তলদেশে নির্ঝরিণী প্রবাহিত। তারা সেখানে থাকবে অনন্তকাল। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। এটা তার জন্যে, যে তার পালনকর্তাকে ভয় কর।


০৯৭ : আল ক্বাদর (মহিমান্বিত), মাক্কী, আয়াত-৫

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] إِنّا أَنزَلنٰهُ فى لَيلَةِ القَدرِ

[1] ইন্না আনযালনাহু ফী লাইলাতিল কাদরি

[1] আমি একে নাযিল করেছি শবে-কদরে।

[2] وَما أَدرىٰكَ ما لَيلَةُ القَدرِ

[2] ওয়ামা আদরাকা মা লাইলাতুল কাদরি

[2] শবে-কদর সমন্ধে আপনি কি জানেন?

[3] لَيلَةُ القَدرِ خَيرٌ مِن أَلفِ شَهرٍ

[3] লাইলাতুল কাদরি খাইরুম মিন আলফি শাহর

[3] শবে-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।

[4] تَنَزَّلُ المَلٰئِكَةُ وَالرّوحُ فيها بِإِذنِ رَبِّهِم مِن كُلِّ أَمرٍ

[4] তানাযযালুল মালাইকাতু ওয়াররূহ, ফিহা বিইযনি রাব্বিহিম মিন কুল্লি আমরিন

[4] এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।

[5] سَلٰمٌ هِىَ حَتّىٰ مَطلَعِ الفَجرِ

[5] সালামুন হিয়া হাত্তা মাতলাইল ফাজর

[5] এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।


০৯৬ : আল আলাক (রক্তপিন্ড), মাক্কী, আয়াত-১৯

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] اقرَأ بِاسمِ رَبِّكَ الَّذى خَلَقَ

[1] ইক্বরা বিস্মি রব্বিকাল্লাযী খলাক্ব্

[1] পাঠ করুন আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন

[2] خَلَقَ الإِنسٰنَ مِن عَلَقٍ

[2] খলাকাল্ ইন্সা-না মিন্ ‘আলাক্

[2] সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে।

[3] اقرَأ وَرَبُّكَ الأَكرَمُ

[3] ইক্ব্র অ রব্বুকাল্ আকরমু

[3] পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তা মহা দয়ালু,

[4] الَّذى عَلَّمَ بِالقَلَمِ

[4] ল্লাযী ‘আল্লামা বিল্ক্বলামি

[4] যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন,

[5] عَلَّمَ الإِنسٰنَ ما لَم يَعلَم

[5] আল্লামাল্ ইন্সা-না মা-লাম্ ইয়া’লাম্

[5] শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।

[6] كَلّا إِنَّ الإِنسٰنَ لَيَطغىٰ

[6] কাল্লা য় ইন্নাল্ ইন্সা-না লাইয়াতগ য়'

[6] সত্যি সত্যি মানুষ সীমালংঘন করে,

[7] أَن رَءاهُ استَغنىٰ

[7] র্আরয়াহুস্ তাগ্না-

[7] এ কারণে যে, সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে।

[8] إِنَّ إِلىٰ رَبِّكَ الرُّجعىٰ

[8] ইন্না ইলা- রব্বির্কা রুজ‘আ

[8] নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার দিকেই প্রত্যাবর্তন হবে।

[9] أَرَءَيتَ الَّذى يَنهىٰ

[9] আরয়াইতাল্লাযী ইয়ান্হা

[9] আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে নিষেধ করে

[10] عَبدًا إِذا صَلّىٰ

[10] ‘আব্দান্ ইযা-ছোয়াল্লা

[10] এক বান্দাকে যখন সে নামায পড়ে?

[11] أَرَءَيتَ إِن كانَ عَلَى الهُدىٰ

[11] আরয়াইতা ইন্ কা-না ‘আলাল্ হুদা য়

[11] আপনি কি দেখেছেন যদি সে সৎপথে থাকে।

[12] أَو أَمَرَ بِالتَّقوىٰ

[12] আও আমার বিত্তাকওয়া

[12] অথবা খোদাভীতি শিক্ষা দেয়।

[13] أَرَءَيتَ إِن كَذَّبَ وَتَوَلّىٰ

[13] আরয়াইতা ইন্কায্যাবা অতাওয়াল্লা

[13] আপনি কি দেখেছেন, যদি সে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়।

[14] أَلَم يَعلَم بِأَنَّ اللَّهَ يَرىٰ

[14] আলাম্ ইয়া’লাম্ বিআন্নাল্লা-হা ইয়ার

[14] সে কি জানে না যে, আল্লাহ দেখেন?

[15] كَلّا لَئِن لَم يَنتَهِ لَنَسفَعًا بِالنّاصِيَةِ

[15] কাল্লা-লায়িল্লাম্ ইয়ান্তাহি লানাস্ফা‘আম্ বিন্না-ছিয়াতি

[15] কখনই নয়, যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি মস্তকের সামনের কেশগুচ্ছ ধরে হেঁচড়াবই-

[16] ناصِيَةٍ كٰذِبَةٍ خاطِئَةٍ

[16] না-ছিয়াতিন্ কা-যিবাতিন্ খত্বিয়াহ্

[16] মিথ্যাচারী, পাপীর কেশগুচ্ছ।

[17] فَليَدعُ نادِيَهُ

[17] ফাল্ ইয়াদ্‘উ না-দিয়াহূ

[17] অতএব, সে তার সভাসদদেরকে আহবান করুক।

[18] سَنَدعُ الزَّبانِيَةَ

[18] সানাদ্‘উয্ যাবা-নিয়াতা

[18] আমিও আহবান করব জাহান্নামের প্রহরীদেরকে

[19] كَلّا لا تُطِعهُ وَاسجُد وَاقتَرِب ۩

[19] কাল্লা-; লা তুত্বি’হু অস্জুদ্ ওয়াকতারিব্

[19] কখনই নয়, আপনি তার আনুগত্য করবেন না। আপনি সেজদা করুন ও আমার নৈকট্য অর্জন করুন।


০৯৫ : আত-তিন (ডুমুর), মাক্কী, আয়াত-৮

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1]  وَالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ

[1] অত্তীনি অয্যাইতূনি।

[1] কসম ‘তীন ও যায়তূন’ এর।

[2]  وَطُورِ سِينِينَ

[2] অতুরি সীনীনা।

[2] কসম ‘সিনাই’ পর্বতের,

[3]  وَهَذَا الْبَلَدِ الْأَمِينِ

[3] অহা-যাল্ বালাদিল্ আমীন।

[3] কসম এই নিরাপদ নগরীর।

[4]  لَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنْسَانَ فِي أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ

[4] লাক্বদ্ খলাকনাল্ ইন্সা-না ফী আহ্সানি তাক্বওয়ীম্।

[4] অবশ্যই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি সর্বোত্তম গঠনে।

[5]  ثُمَّ رَدَدْنَاهُ أَسْفَلَ سَافِلِينَ

[5] ছুম্মা রদাদ্না-হু আস্ফালা সা-ফিলীন।

[5] তারপর আমি তাকে ফিরিয়ে দিয়েছি হীনদের হীনতম রূপে।

[6]  إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ فَلَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍ

[6] ইল্লাল্লাযীনা আ-মানূ অ‘আমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি ফালাহুম্ আজরুন্ গইরু মাম্নূন্।

[6] তবে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্য রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার।

[7]  فَمَا يُكَذِّبُكَ بَعْدُ بِالدِّينِ 

[7] ফামা- ইয়ুকায্যিবুকা বা’দু বিদ্দীন্।

[7] সুতরাং এরপরও কিসে তোমাকে কর্মফল সম্পকের্ অবিশ্বাসী করে তোলে?

[8]  أَلَيْسَ اللَّهُ بِأَحْكَمِ الْحَاكِمِينَ 

[8] আলাইসাল্লা-হু বিআহ্কামিল্ হা-কিমীন্।

[8] আল্লাহ কি বিচারকদের শ্রেষ্ঠ বিচারক নন?


০৯৪ : আল-ইনশিরাহ (বক্ষ প্রশস্তকরণ), মাক্কী, আয়াত-৮

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] أَلَم نَشرَح لَكَ صَدرَكَ

[1] আলাম্ নাশ্রাহ্ লাকা ছোয়াদ্রাকা

[1] আমি কি আপনার বক্ষ উম্মুক্ত করে দেইনি?

[2] وَوَضَعنا عَنكَ وِزرَكَ

[2] অওয়াদ্বোয়া’না- ‘আন্কা ওয়িয্রাকা

[2] আমি লাঘব করেছি আপনার বোঝা,

[3] الَّذى أَنقَضَ ظَهرَكَ

[3] আল্লাযী য় আন্ক্বাদ্বোয়া জোয়াহ্রকা

[3] যা ছিল আপনার জন্যে অতিশয় দুঃসহ।

[4] وَرَفَعنا لَكَ ذِكرَكَ

[4] অরাফা’না-লাকা যিক্রক্

[4] আমি আপনার আলোচনাকে সমুচ্চ করেছি।

[5] فَإِنَّ مَعَ العُسرِ يُسرًا

[5] ফাইন্না মা‘আল্ উ’স্রি ইয়ুস্রান্

[5] নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।

[6] إِنَّ مَعَ العُسرِ يُسرًا

[6] ইন্না মা‘আল্ উ’স্রি ইয়ুস্র-

[6] নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।

[7] فَإِذا فَرَغتَ فَانصَب

[7] ফাইযা-ফারাগ্তা ফান্ছোয়াব্

[7] অতএব, যখন অবসর পান পরিশ্রম করুন।

[8] وَإِلىٰ رَبِّكَ فَارغَب

[8] অইলা-রব্বিকা র্ফাগব্

[8] এবং আপনার পালনকর্তার প্রতি মনোনিবেশ করুন।

বি.দ্র: অন্য ভাষায় কুরআন সঠিক উচ্চারণ লেখা কখনই সম্ভব নয়। অনুগ্রহপূর্বক কষ্ঠ করে আরবি শিখবেন।


০৯৩ : আদ-দোহা (পূর্বাহ্নের সূর্যকিরণ), মাক্কী, আয়াত-১১

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[1] وَالضُّحىٰ

[1] অদ্ব্দ্বুহা

[1] শপথ পূর্বাহ্নের,

[2] وَالَّيلِ إِذا سَجىٰ

[2] অল্লাইলি ইযা- সাজ্বা

[2] শপথ রাত্রির যখন তা গভীর হয়,

[3] ما وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَما قَلىٰ

[3] মা অদ্দা‘আকা রব্বুকা অমা- ক্বলা

[3] আপনার পালনকর্তা আপনাকে ত্যাগ করেনি এবং আপনার প্রতি বিরূপও হননি।

[4] وَلَلءاخِرَةُ خَيرٌ لَكَ مِنَ الأولىٰ

[4] অলাল্ আ-খিরাতু খাইরুল্লাকা মিনাল্ ঊলা

[4] আপনার জন্যে পরকাল ইহকাল অপেক্ষা শ্রেয়।

[5] وَلَسَوفَ يُعطيكَ رَبُّكَ فَتَرضىٰ

[5] অলাসাওফা ইয়ু’ত্বীকা রব্বুকা ফার্তাদ্বোয়া

[5] আপনার পালনকর্তা সত্বরই আপনাকে দান করবেন, অতঃপর আপনি সন্তুষ্ট হবেন।

[6] أَلَم يَجِدكَ يَتيمًا فَـٔاوىٰ

[6] আলাম্ ইয়াজ্বিদ্কা ইয়াতীমান্ ফাআ-ওয়া

[6] তিনি কি আপনাকে এতীমরূপে পাননি? অতঃপর তিনি আশ্রয় দিয়েছেন।

[7] وَوَجَدَكَ ضالًّا فَهَدىٰ

[7] অওয়াজ্বাদাকা দ্বোয়া-ল্লান্ ফাহাদা

[7] তিনি আপনাকে পেয়েছেন পথহারা, অতঃপর পথপ্রদর্শন করেছেন।

[8] وَوَجَدَكَ عائِلًا فَأَغنىٰ

[8] অওয়াজ্বাদাকা ‘আ-য়িলান্ ফাআগ্না

[8] তিনি আপনাকে পেয়েছেন নিঃস্ব, অতঃপর অভাবমুক্ত করেছেন।

[9] فَأَمَّا اليَتيمَ فَلا تَقهَر

[9] ফাআম্মাল্ ইয়াতীমা ফালা-তাক্বর্ ্হা

[9] সুতরাং আপনি এতীমের প্রতি কঠোর হবেন না;

[10] وَأَمَّا السّائِلَ فَلا تَنهَر

[10] অআম্মাস্ সা-য়িলা ফালা-তার্ন্হা

[10] সওয়ালকারীকে ধমক দেবেন না।

[11] وَأَمّا بِنِعمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّث

[11] অ আম্মা-বিনি’মাতি রব্বিকা ফাহাদ্দিছ্

[11] এবং আপনার পালনকর্তার নেয়ামতের কথা প্রকাশ করুন।


চলমান....

@templatesyard